মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জেনে নিন
মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫টি উপায় সম্পর্কে জেনে রাখা বর্তমানে সকলের জন্য
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমানে বেশিরভাগ সময় মানুষ মোবাইলে ব্যয় করে
থাকেন। এতে করে একদিকে যেমন সময় লস হয় তেমনি অন্যদিকে মানসিকভাবে অনেক ধরনের
সমস্যা তৈরি হয়।
অথচ মাত্র ১৫ টি উপায় অবলম্বন করলে সহজেই মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে থাকা যায়।
চলুন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সেরা ১৫ টি উপায়ে মোবাইল
আসক্তি কমানো যায়।
পোস্ট সূচীপত্রঃ মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জেনে নিন
- মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জেনে নিন
- স্মার্টফোন ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ
- খেলাধুলার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করা
- মজার মজার বই পড়া
- বন্ধু বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দেওয়া
- মোবাইল ফোনের নোটিফিকেশন অফ করে রাখা
- অফিস টাইমের বাইরে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা
- ফ্রী সময় থাকলে বাইরে ঘোরাঘুরি করা
- গ্রুপ চ্যাট এলার্ট অফ করে রাখা
- সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ গুলো সব সময় ভিজিট না করা
- স্মার্টফোনে নো ডিস্টার্ব মুড অন করে রাখা
- সকল সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন অফ করে রাখা
- মোবাইল ফোন থেকে সকল প্রকার গেম ডিলিট করা
- ফ্যামিলিকে বেশি সময় দেওয়া
- বেশি বেশি ইবাদত করা
- সচেতনতা বৃদ্ধি করা
- শেষ কথাঃ মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জানুন
মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জেনে নিন
বর্তমান যুগে প্রায় প্রত্যেকটি মানুষ মোবাইলের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে গেছে যে,
মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও চলতে পারে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরু করে রাতে ঘুমানোর
আগ পর্যন্ত মোবাইল দেখে অনেক মানুষ সময় ব্যয় করছেন। কিন্তু এত বেশি মোবাইল
ব্যবহার করা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটাই ক্ষতিকর। তাই প্রত্যেকটি মানুষের
মোবাইলে প্রতি আসক্তি কমানো উচিত। কিন্তু কিভাবে মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমানো
যায় চলুন এই বিষয়ে ১৫ টি উপায় জেনে নেওয়া যাক।
স্মার্টফোন ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ
আরো পড়ুনঃ
বাংলাদেশের সেরা ওষধ কোম্পানি কোনটি
মোবাইল আসক্তি কমানোর সবচেয়ে ভালো একটি উপায় হচ্ছে স্মার্টফোন ব্যবহারের
নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা। প্রথমে আপনাকে নির্ধারণ করে নিতে হবে আপনি দিনের
মধ্যে কত ঘন্টা সময় মোবাইলে ব্যয় করতে চান। এছাড়াও দিনের কোন কোন সময় ব্যয়
করতে চান। ধরুন আপনি দিনে মোবাইল ফোনে এক ঘন্টা সময় ব্যয় করতে চান। তাহলে আধা
ঘন্টা
সোশ্যাল মিডিয়ায়
আর বাকি আধা ঘন্টা অন্যান্য জায়গায় ব্যয় করলেন। এতে করে আপনার স্মার্টফোনের
প্রতি আসক্তি অনেকটা কমে যাবে।
খেলাধুলার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করা
মোবাইল থেকে আসক্তি কমানোর জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায় হল খেলাধুলার দিকে মনোযোগ
দেওয়া।আপনি যে বয়সের হোন না কেনো যে সময়টুকু আপনি মোবাইলে ব্যয় করতেছেন, সেই
সময়টুকু বিভিন্ন ধরনের খেলায় ব্যয় করবেন। এতে করে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি
হবে পাশাপাশি মোবাইলে প্রতি আসক্তি আপনার অনেকটা কমে যাবে। কারণ খেলাধুলা এক
ধরনের নেশা এটা একবার আপনি শুরু করতে পারলে আর মোবাইলের প্রতি আসক্তি আপনার থাকবে
না।
মজার মজার বই পড়া
মজার মজার বই পড়ার মাধ্যমে মোবাইলের আসক্তি অনেক কমানো যায়। আপনি দিনের যে
সময়টুকু মোবাইলে ব্যয় করেন সেখান থেকে নির্দিষ্ট একটি সময় যদি মজার মজার বই
পড়েন তাহলে দেখবেন আপনি মানসিকভাবে শান্তি পাবেন এবং মোবাইলের প্রতি আসক্তি
আপনার অনেক কমে যাবে। আমাদের দেশে এমন অনেক মজার মজার বই আছে যেগুলো একবার পড়া
শুরু করলে শুধু পড়তে মন চাবে। তাই মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমাতে এখন থেকেই বই
পড়া শুরু করুন।
বন্ধু বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দেওয়া
৯০ এর দশকে যখন মোবাইল ছিল না তখন মানুষ তার বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডা দিয়ে
সময় কাটাতো। বর্তমানে মোবাইল আসার পরে মানুষ বন্ধু-বান্ধবীর প্রতি আকৃষ্ট না
হয়ে মোবাইলে প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছেন। মোবাইলের প্রতি আসক্তি বা নেশা কমানোর
জন্য একটি ভালো উপায় হতে পারে বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডা দেওয়া। প্রতিদিন
আপনার অফিস সহকর্মী অথবা বন্ধুদের সাথে একটি নির্দিষ্ট সময়ে আড্ডা দিতে পারেন
তাহলে দেখবেন মোবাইল আসক্তি অনেক কমে যাবে।
আরো পড়ুনঃ
জিবনে বড় হতে হলে কি করতে হবে
মোবাইল ফোনের নোটিফিকেশন অফ করে রাখা
মোবাইল ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস এর নোটিফিকেশন অন করে
রাখি বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন অন করে রাখি। যার ফলে সোশ্যাল
মিডিয়াতে নতুন কোন পোস্ট হলেই তার নোটিফিকেশন আমাদের ফোনে চলে আসে। আর সেই
নোটিফিকেশন অনুযায়ী মোবাইল দেখতে গিয়ে আমরা অনেক সময় মোবাইলে ব্যায় করে
থাকি। তাই মোবাইল ফোনের নোটিফিকেশন অফ করে রেখে মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমানো
যায়।
অফিস টাইমের বাইরে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা
আপনি যদি চাকরিজীবী হন তাহলে মোবাইল আপনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি
ডিভাইস। আপনি যে সময়টুকু অফিস করেন সেই সময়টুকু মোবাইলের যাবতীয় কাজ সেরে
ফেলবেন। অফিস থেকে বের হওয়ার পর চেষ্টা করবেন মোবাইল ফোন বন্ধ করে রাখার জন্য।
যদিও এটা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার তারপরও যদি সম্ভব হয় এটা আপনার মোবাইলের প্রতি
আসক্তি কমাতে পারে।
ফ্রী সময় থাকলে বাইরে ঘোরাঘুরি করা
আপনি যে সময়টুকু মোবাইল ব্যবহার করবেন সেই সময়টুকু চেষ্টা করবেন বিভিন্ন
জায়গায় ঘোরাঘুরি করার জন্য। সেটা হতে পারে আপনার বন্ধু অথবা বান্ধবীর সাথে
অথবা ফ্যামিলির সাথে। বন্ধুবান্ধব বা ফ্যামিলি সাথে ঘোরাফেরা করলে আপনার মন
ভালো থাকবে এবং শারীরিকভাবে আপনি সুস্থ থাকবেন। চেষ্টা করতে হবে ওই সময়টুকু
মোবাইল কম ব্যবহার
করার জন্য। এভাবে নিয়মিত ঘোরাঘুরি করে আপনি মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমাতে
পারবেন।
আরো পড়ুনঃ
অনলাইনে টিকিট ফেরত দেওয়ার নিয়ম
গ্রুপ চ্যাট এলার্ট অফ করে রাখা
বর্তমানে সময়ে বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে অফিস এবং ফ্যামিলি সর্বক্ষেত্রে
বিভিন্ন মোবাইলের গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়। প্রয়োজনের তাগিদেই এসব
গ্রুপে লম্বা সময় ব্যয় করতে হয়। আপনি যদি এসব গ্রুপের চ্যাট এলার্ট অফ করে
রাখতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনার মোবাইল কম ব্যবহার করতে পারবেন। আর এভাবে মোবাইল
কম ব্যবহার করার মাধ্যমে মোবাইলে প্রতি আসক্তি অনেক কমানো যায়।
সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ গুলো সব সময় ভিজিট না করা
আমরা যতটুকু সময় মোবাইলে বের করি তার বেশিরভাগ সময় ব্যায় করি সোশ্যাল
মিডিয়াতে। এমনও দেখা যায় একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবেশ করলে কয়েক ঘন্টা
সময় এখানে লস করা হয়। তাই চেষ্টা করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ সব সময়
ভিজিট না করা। দিনের নির্দিষ্ট একটি সময় নির্ধারণ করে সেই সময়টুকু সোশ্যাল
মিডিয়া অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ ব্যবহার করার সময় ঘড়ির
টাইম লক্ষ্য রাখা যেন নির্ধারিত সময়ের বেশি ব্যয় না হয়।
স্মার্টফোনে নো ডিস্টার্ব মুড অন করে রাখা
মোবাইল বেশি না ব্যবহার করার সবচেয়ে ভালো একটু উপায় হচ্ছে স্মার্টফোনে
নো ডিস্টার্ব মোড
অন করে রাখা। কর্মজীবী মানুষ বেশিরভাগ সময় রাত্রিবেলা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে
থাকেন। যদি বাসায় যাওয়ার পর মোবাইল ফোন নো ডিস্টার্ব মোড অন করে রাখা হয়
তাহলে মোবাইলের দিকে নজর কম যাবে। আর মোবাইলের দিকে নজর কম গেলে মোবাইলের
ব্যবহার কমে যাবে।
সকল সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন অফ করে রাখা
দিনের নির্দিষ্ট সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার পাশাপাশি সকল সোশ্যাল মিডিয়ার
নোটিফিকেশন অফ করে রাখতে হবে। বর্তমানে সারা বিশ্বের মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া
ব্যবহার করে। সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন অন করে রাখলে সবসময়ই কোন না কোন
মেসেজ চলে আসে। সেসব মেসেজ দেখার জন্য আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রবেশ করি।
এভাবে অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রবেশ করি। সবচেয়ে ভালো
হবে সকল সোশাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন অফ করে রাখা।
মোবাইল ফোন থেকে সকল প্রকার গেম ডিলিট করা
বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনে আসক্তির আরেকটি কারণ হলো বিভিন্ন ধরনের গেম খেলা।
এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা দিনের অধিকাংশ সময় গেম খেলে পার করে দেন। এসব গেম
এমন এক ধরনের আসক্তি তৈরি করে যে একবার শুরু করলে কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত গেম
খেলতে থাকে। তাই সবচেয়ে ভালো হবে মোবাইল থেকে সমস্ত ধরনের গেম ডিলিট করে
দেওয়া। এতে করে মোবাইলের প্রতি আসক্তি অনেক কমে যাবে।
ফ্যামিলিকে বেশি সময় দেওয়া
আমাদের মধ্যে এমন অনেক আছেন যারা ফ্যামিলিকে সময় কম দেন শুধুমাত্র ফোন বেশি
ব্যবহার করার কারণে। যার কারণে ধীরে ধীরে মানুষের ফোনের প্রতি আসক্তি বেড়ে
যায় অপরদিকে ফ্যামিলির সাথে সম্পর্কের দূরত্ব বেড়ে যায়। যদি ফ্যামিলিকে বেশি
সময় দেওয়া যায় তাহলে দেখা যাবে মোবাইলে প্রতি আগ্রহ অনেকটাই কমে যাবে। তাই
মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো একটি সমাধান হতে পারে
ফ্যামিলিকে সময় দেওয়া।
বেশি বেশি ইবাদত করা
বেশি বেশি ইবাদত করার মাধ্যমে মোবাইল থেকে অনেকটা দূরে থাকা যায়। কারণ ইবাদতের
সময় মোবাইল ব্যবহার করা যায় না। তাই আপনি যদি বেশি বেশি ইবাদত করেন তাহলে
স্বাভাবিকভাবেই আপনি মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। আর এভাবেই বেশি বেশি এবাদত
করার মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহার থেকে অথবা মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে থাকা যায়।
সচেতনতা বৃদ্ধি করা
বিভিন্নভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করে মানুষকে মোবাইলের আসক্তি থেকে অনেকটাই মুক্ত
রাখা যায়। যেমন ধরুন মানুষকে পরামর্শ দিয়ে, খেলাধুলার সুযোগ করে দিয়ে,
বিভিন্ন ধরনের কাজের মধ্যে রেখে, স্কুল কলেজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের
নাটক বা কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করে মোবাইলের প্রতি আসক্তি
অনেকটাই কমানো যায়। সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা যদি এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ
করেন এর পাশাপাশি দেশের সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করলে সহজেই মোবাইলে প্রতি
আসক্তি কমানো যায়।
FAQ প্রশ্ন উত্তর
দিনে কত ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করা উচিত?
দিনে একজন মানুষের সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ ঘন্টার বেশি মোবাইল ব্যবহার করা উচিত নয়।
এতে করে শারীরিক ও মানসিক উভয়দিকে ক্ষতি হতে পারে।
মোবাইল ফোনের খারাপ দিক গুলো কি কি?
মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করার ফলে চোখের ক্ষতি হয়, ঘুমের ক্ষতি হয়,
মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়, সামাজিক সম্পর্ক বিনষ্ট হয়।
বেশি মোবাইল টিপলে কি হয়?
বেশি মোবাইল টিপলে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হতে পারে। যেমন শারীরিকভাবে চোখের
ক্ষতি হতে পারে, আর মানসিকভাবে মস্তিষ্কের সমস্যা হতে পারে।
শরীরের কাছে মোবাইল রাখা কি খারাপ?
শরীরের কাছে মোবাইল রাখা অবশ্যই খারাপ কিন্তু আমরা নির্বিকার হয়ে রাখি। কারণ
মোবাইল ফোন কাছে না রাখলে কোন কাজই ঠিক ভাবে করা যায় না। মোবাইলের মধ্যে সব
সময় এক ধরনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রবাহিত হয়। যা মানুষের জন্য অত্যন্ত
ক্ষতিকর।
ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার করলে কি হয়?
ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে মোবাইল ফোনের তীব্র রশি ঘুমের ব্যাঘাত
ঘটিয়ে দেয়।যার ফলে মানুষ দীর্ঘক্ষন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন ফলে ঘুমের পরিমাণ
অনেক কমে যায়। আর দীর্ঘদিন এভাবে চলার কারণে স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয়।
শেষ কথাঃ মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায় জানুন
উপরের আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পারলেন মোবাইল আসক্তি কমানোর সেরা ১৫ টি উপায়
সম্পর্কে। উপরে যে পরামর্শ গুলো দেয়া হলো সেগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে মেনে চলতে
পারেন তাহলে দেখবেন নিশ্চিত আপনার মোবাইলের প্রতি আসক্তি অনেক কমে যাবে। যদিও
বর্তমান সময়ে মোবাইল ছাড়া চলা প্রায় অসম্ভব। কারণ এখন মানুষের জীবনের
প্রতিটি কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হয়।
তবে যদি নিয়ম করে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায় তাহলে এর প্রতি আসক্তি অনেক
কমানো যায়। আর সেই বিষয়গুলোই উপরে সুন্দরভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি
উপরের আলোচনাগুলো পড়ে আপনি উপকৃত হবেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে এরকম বিভিন্ন
ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট পাবলিশ করা হয়। তাই সবসময় আপডেট ও
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।



এট্রাকশন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url