বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬(আপডেট তথ্য)

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬ সম্পর্কে আপনারা অনেকেই সঠিক তথ্য জানতে চান। কারণ আমেরিকা হলো বাংলাদেশি মানুষের জন্য স্বপ্নের একটি দেশ। তাই স্বাভাবিকভাবে সবাই জানতে চায় বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগতে পারে।
বাংলাদেশ-থেকে-আমেরিকা-যেতে-কত-টাকা-লাগে-২০২৬
চলুন তাহলে আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কি পরিমান টাকা লাগতে পারে। সেই সঙ্গে আরও জেনে নেওয়া যাক আমেরিকার ভিসা পাওয়ার উপায়, আমেরিকার ভিসা প্রসেসিং করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য।

পোস্ট সূচিপত্রঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬(আপডেট তথ্য)

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬(আপডেট তথ্য)

বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসা ব্যতীত সরকারিভাবে আমেরিকা যাওয়ার কোন উপায় নেই। এইজন্য ব্যক্তিগতভাবে নিজ উদ্যোগে ভিসা প্রসেসিং করতে হবে। আবার বিভিন্ন রকমের এজেন্সির মাধ্যমে আমেরিকা যাওয়ার জন্য ভিসা প্রস্তুত করা যায়। তবে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রস্তুত করলে খরচ অনেকটাই বেশি পড়ে যায়। তবে এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের ভিসা নিতে চান ও বিমান ভাড়ার উপরে।

স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে ১৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তবে আপনি যদি আপনার কোন আত্মীয়র মাধ্যমে যান সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ অনেক কম রাখতে পারে। আর্থের মাধ্যমে গেলে সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। আবার স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে খরচ আরো কম লাগে। তবে সবকিছু নির্ভর করে প্লেনের টিকিট, ভিসা ধরন, কাজের ধরন, বিভিন্ন বিষয়ের উপর।

আমেরিকার ভিসা পাওয়ার উপায়

বিশ্বের অন্য দেশে ভিসা নেওয়ার জন্য যোগ্যতা খুব বেশি প্রয়োজন না হলেও আমেরিকাতে ভিসা নেওয়ার জন্য যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হয়। ভিসা নেওয়ার সময় যোগ্যতা অনুযায়ী আপনাকে ক্যাটাগরিব নির্বাচন করতে হবে। আর এজন্য প্রত্যেক ভিসা প্রার্থীদেরকে Ds-160 আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আপনি যে ধরনের ভিসা নিবেন সেই অনুযায়ী আপনাকে কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে ও সাবমিট করতে হবে।

ধরুন আপনি স্টুডেন্ট ভিসায় আমেরিকা যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির অফার লেটার, স্পোকেন ইংলিশ এর সার্টিফিকেট ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হবে। আবার যদি আপনি কোন চাকুরী ভিসা যেতে চান তাহলে উক্ত কোম্পানির অফার লেটার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট, নির্দিষ্ট কাজের উপরে দক্ষতার সার্টিফিকেট।

ভ্রমণের উদ্দেশ্য যাওয়ার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, পাসপোর্ট এর ফটোকপি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ব্যাংক সলভেন্সি, টিন সার্টিফিকেট, ব্যবসায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ভিজিটিং কার্ড, চাকরিজীবী হলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট।

উক্ত কাগজপত্র নিয়ে আমেরিকান এম্বাসিতে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আপনার সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকলে আপনাকে কয়েকদিন পরে মৌখিক পরীক্ষার জন্য এম্বাসিতে ডাকা হবে। এরপর এম্বাসিতে আপনার আবেদন করা ভিসা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন করবে। উক্ত প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিলে আপনার ভিসা দ্রুত তৈরি হয়ে যাবে।

আমেরিকার ভিসার আবেদন ফি কত

আপনারা অনেকেই জানতে চান আমেরিকার ভিসার আবেদন ফি কত। সাধারণত আমেরিকাতে চার ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করা যায়, স্টুডেন্ট ভিসা, ভ্রমণ ভিসা, চিকিৎসা ভিসা, জব ভিসা।

স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ফিঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন ফি হচ্ছে ১৪ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে অন্যান্য খরচ মিলে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারে। স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ভিসা আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আপনার আইলেট স্কোর ভালো হয়।

ভ্রমণ ভিসার আবেদন ফিঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় ভ্রমণ ভিসা নিয়ে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন কি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে আপনি চাইলেই ভ্রমণের জন্য আমেরিকার ভিসা পাবেন না। আমেরিকা ভিসা পেতে হলে আপনাকে বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশের ভিসা থাকতে হবে যেমনঃ ভারত মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর চায়না মালদ্বীপ থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া।

চিকিৎসা ভিসার জন্য আবেদন ফিঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় চিকিৎসার জন্য মানুষ খুবই কম যায় তবে আপনি যদি চান তাহলে আপনার খরচ হবে ২২ হাজার ৫২৫ টাকা।

জব ভিসার জন্য আবেদন ফিঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকাতে কাজে ভিসার জন্য আবেদন ফ্রি হল সর্বমোট ২৫ হাজার টাকা। তবে আমেরিকাতে কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য আপনি যে কাজে যেতে চান সে কাজের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার ভিসা পেতে কতদিন লাগে

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে এই বিষয়ে অনেক মানুষ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে থাকেন। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার ভিসা আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগে। তবে ভিসা পেতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। কারণ ভিসা আবেদনের পর আমেরিকান এম্বাসিতে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। ইন্টারভিউ নেওয়ার কিছুদিন পরে ভিসা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ-থেকে-আমেরিকার-বিমান-ভাড়া-কত

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার বিমান ভাড়া কত

যারা বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় যেতে চান তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে থাকেন যে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার বিমান ভাড়া কত টাকা। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার বিমান ভাড়া নির্ভর করে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স এর ওপর। কোন কোন এয়ারলাইন্স এ বিমান ভাড়া কিছুটা কম আবার কোন কোন এয়ারলাইন্সে বিমান ভাড়া অনেক বেশি।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কোন এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ থেকে বিমান ভাড়া কত টাকা।
  • বোস্টন এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা বিমান ভাড়া ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
  • ইন্ডিয়া নাপলিশ এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা বিমান ভাড়া ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
  • আটলান্টা এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা বিমান ভাড়া ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
  • অস্ট্রেলিয়ার এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা বিমান ভাড়া ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।

স্টুডেন্ট ভিসায় আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসায় আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে এই বিষয়ে আমাদের দেশের অনেক মানুষ জানতে চায়। বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমেরিকার যাওয়ার জন্য যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তা হল ৫ লাখ থেকে আট লাখ টাকা। তবে স্টুডেন্ট ভিসায় আমেরিকা যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই আমেরিকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার থাকতে হবে। সেই সঙ্গে আইলেট স্কোর ভালো হতে হবে।

আইলেট স্কোর ভালো না হলে আপনি কখনোই আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন না। তাই আমেরিকা যাওয়ার চিন্তা ভাবনা থাকলে প্রথমে আইলেট থেকে ভালো স্কোর সম্পন্ন সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে। এরপর অন্যান্য কাগজপত্র নিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকলে ইন্টারভিউ এর জন্য embassyতে ডেকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করা হবে।

উক্ত প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলে আপনি আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন। আপনি যদি স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকায় যান তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ অনেক কম হবে। কিন্তু আপনি যদি স্কলারশিপ না নিয়ে আমেরিকা যেতে চান পড়াশোনা করার জন্য সে ক্ষেত্রে আপনার অনেক টাকা খরচ হবে।

আমেরিকার ভিসা প্রসেসিং করার নিয়ম

আমেরিকার ভিসা প্রসেসিং করার আগে যোগ্যতা অনুযায়ী ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। প্রথমে আপনার যোগ্যতা ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিচার আবেদন করতে হবে এরপর DS-160 ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর ভিসা অনুযায়ী আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন ফরম জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পরে একটি নির্দিষ্ট দিনে আপনাকে এম্বাসিতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। সেখানে আপনাকে ভিসা ও আপনার যাওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করা হবে। সঠিক উত্তর পেলে তারা আপনাকে ভিসা দেওয়ার জন্য রাজি হবে। এবং কবে আপনাকে ভিসা দেবে সেই তারিখ আপনাকে জানিয়ে দেবে।
আমেরিকার-সর্বোচ্চ-বেতন-কত

আমেরিকার সর্বোচ্চ বেতন কত

আমেরিকাতে বেতন নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের কাজ করছেন তার ওপরে। তবে আমেরিকাতে স্বাস্থ্য খাত এবং প্রযুক্তি খাত এই দুটি খাতে সর্বোচ্চ বেতন প্রদান করা হয়। আমেরিকার বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে একজন সাতজনের বেতন ৪ লাখ ৩২ হাজার ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আবার প্রযুক্তি প্রায় একই রকম স্যালারি হয়ে থাকে।

তবে অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে ৫০০০০ ডলার থেকে এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বেতন হয়ে থাকে। আপনার বেতন কত হবে সেটা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপরে। আপনি আমেরিকায় গিয়ে কি ধরনের কাজ করতে চান। তবে সারা বিশ্বের মধ্যে আমেরিকাতে চাকরি করলে সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকাতে চাকরি বাবদ প্রতি ঘন্টায় ২০-৩০ ডলার পর্যন্ত বেতন পাওয়া যেতে পারে।

আমেরিকার সর্বনিম্ন বেতন কত

আপনারা অনেকেই আমেরিকাতে সর্বোচ্চ বেতন সম্পর্কে জানলেও সর্বনিম্ন বেতন কত এ সম্পর্কে অনেকেই সঠিক তথ্য জানতে চান। আমেরিকাতে বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন হলো প্রতি ঘন্টায় ৭.২৫ ডলার। বাংলাদেশ থেকে আপনি আমেরিকাতে যে কোন কাজ করে প্রতি ঘন্টায় ৭.৫ থেকে ২০ অথবা ৩০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে আমেরিকান নাগরিকদের জন্য এটা প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ডলার।

আমেরিকাতে কোন কাজের বেতন বেশি

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকাতে গেলে কোন কাজের বেতন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এ সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষেরই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে থাকেন। সাধারণত আমেরিকান বাসীদের সবচেয়ে বেশি বেতন দেওয়া হয় স্বাস্থ্য খাতে এবং প্রযুক্ত খাতে।

তবে বাংলাদেশ থেকে যারা আমেরিকায় কাজে ভিসা নিয়ে গিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া যায় এসব কাজে তা হলো- কনস্ট্রাকশন কর্মী, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কর্মী, ফুড ডেলিভারি, ক্লিনার, ফ্যাক্টরের শ্রমিক, ট্রাক ড্রাইভার, উবার ড্রাইভার, প্লাম্বার, ইলেক্ট্রিশিয়ান।

আমেরিকা যেতে কত সময় লাগে

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে প্রায় ১৬ থেকে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তার কারণ হলো বাংলাদেশ থেকে আমেরিকাতে সরাসরি কোন ফ্লাইট নেই। প্রথমে বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ে ট্রানজিট নিতে হবে। এরপর দুবাই থেকে আমেরিকায় যেতে হবে। এর যে সময় কম বেশি লাগতে পারে সেটা নির্ভর করে আবহাওয়া এবং প্লেনের শিডিউলের উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাবে প্রায় ১৬ থেকে ২০ ঘন্টা সময় লেগে যায়

আবার কোন কোন এয়ার এয়ারলাইন্সে ২১ থেকে ২৫ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। কারণ এয়ারলাইন্স অনুযায়ী সময় কমবেশি হতে পারে। কোন কোন এয়ারলাইন্সে দেরি কম হয় অর্থাৎ এরা দ্রুত যাতায়াত করে। আবার কোন কোন এয়ারলাইন্সে একটু সময় বেশি লেগে যায় কারণ তারা কিছুটা ধীরগতিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬ সম্পর্কিত জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার দাম কত?
বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার ফি হলো ১৬০ মার্কিন ডলার যাকে বর্তমানে বাংলাদেশের টাকায় কনভার্ট করলে ১৯২৫০ টাকা হয়।

আমেরিকা যাওয়ার টিকিটের দাম কত?
বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এয়ারলাইন্স অনুযায়ী টিকিটের দাম পরে ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কিভাবে যাওয়া যায়?
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার একমাত্র সহজ উপায় হচ্ছে বিমানে যাওয়া। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমানে যেতে খরচ পড়বে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার থেকে ১ লাখ 97 হাজার টাকা পর্যন্ত।

টুরিস্ট ভিসার দাম কত?
বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় তিন মাসের টুরিস্ট ভিসার জন্য খরচ হবে ১৬০ ডলার। অথবা বাংলা টাকায় প্রায় ২০ হাজার টাকা।

সবচেয়ে কম খরচে আমেরিকা যাওয়ার মাস কোনটি?
সবচেয়ে কম খরচে আমেরিকা যাওয়ার মাস হল ফেব্রুয়ারি।

যুক্তরাষ্ট্রের টিকিটের মূল্য কত?
যুক্তরাষ্ট্রের টিকিটের মূল্য ১ লাখ ৯৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

বাংলাদেশিরা কি আমেরিকা যেতে পারবে?
অবশ্যই বাংলাদেশীরা আমেরিকা যেতে পারবে তবে পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক রাখতে হবে।

আমেরিকায় যাওয়ার উপযুক্ত মাস কোনটি?
আমেরিকায় যাওয়ার উপযুক্ত মাস হলো মে থেকে জুন।

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা কত কিলোমিটার দূরে?
বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা প্রায় ১২ হাজার ৬৬০ কিলোমিটার দূরে।

আমেরিকার সবচেয়ে সহজ ভিসা কোনটি?
আমেরিকার সবচেয়ে সহজ ভিসা হচ্ছে "B" ভিসা

শেষ কথাঃ বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬ জেনে নিন

আমাদের বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগে এ সম্পর্কে আপনারা উপরের তথ্য থেকে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন। আসলে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগবে সেটা নির্ভর করে ভিসা এবং মৌসুম এর উপর নির্ভর করে। কারণ আমেরিকাতে পর্যটন মাসে সবচেয়ে বেশি খরচ হয়। তাই আপনি যদি কম টাকার মধ্যে যেতে চান তাহলে অপেক্ষা করতে হবে কোন সময় আমেরিকার পর্যটন মৌসুম নয়।

আবার বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যেতে কত টাকা লাগতে পারে তা নির্ভর করে আপনি কোন মাধ্যমে যাচ্ছেন তার ওপর। আপনি যদি কোন এজেন্সির মাধ্যমে যান সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ অনেকটাই বেশি লেগে যেতে পারে। কিন্তু আপনার যদি কোন আত্মীয় আমেরিকাতে থাকে এবং তার মাধ্যমে আমেরিকায় যেতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ অনেক কম লাগবে। আমেরিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানতে আমাদের এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এট্রাকশন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url