বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫

বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ সম্পর্কে কম বেশি সকলের জানা প্রয়োজন। বাংলাদেশে প্রতি বছর ওষুধ শিল্প থেকে বিশেষ করে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। কারণ বাংলাদেশের বাজারে অনেক শীর্ষস্থানীয়, নামকরা, গুণগত মান সম্পন্ন ঔষধ কোম্পানি রয়েছে।

বাংলাদেশের-সবচেয়ে-ভালো-ওষুধ-কোম্পানি
এমন কিছু শীর্ষ স্থানীয় ওষুধ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো বাংলাদেশের মাটি ছাড়াও বিশ্ববাজারে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ রপ্তানি করে তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম, খ্যাতি ও গুণগতমান বাড়িয়েছে। চলুন আজকের পোস্টে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি সম্পর্কে আলোচনা করি।

সূচিপত্রঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ 

বাংলাদেশের সবচেয়ে সেরা ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ 

বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ এ ব্যাপারে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের জানা অত্যন্ত জরুরী। কারণ বাংলাদেশে অর্থনীতিতে সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ওষুধ শিল্প। বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানিগুলো শুধু দেশীয় চাহিদা পূরণ করে তা কিন্তু নয়, বিশ্ববাজারেও অনেক সুনাম অর্জন করেছে এবং বিভিন্ন উপায়ে ঔষধ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে চলেছে। চলুন বাংলাদেশের সবচাইতে সেরা কোম্পানি কোনটি সেটি তুলে ধরা যাক। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের সেরা ১০টি সিমেন্ট কোম্পানি

বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানির মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় এবং বড় ওষুধ কোম্পানি হচ্ছে স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। এই ওষুধ কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে। বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানি গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রাচীন ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কারণ এটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ উৎপাদন করে চলেছে। 

স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি কিসের জন্য সেরা এটা হয়তো বেশিরভাগ মানুষের জানা নাই। কারণ এরা শুধু ওষুধ উৎপাদন করে কিংবা বৈদেশিক ভাবে রপ্তানি করেই তাদের নাম অর্জন করেছে তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে স্কয়ার কোম্পানি প্রায় ১৮-২০% শেয়ার নিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে। এছাড়া এই কোম্পানি ইউরোপ মহাদেশের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ওষুধ রপ্তানি করছে। 

প্রায় ৪০ টিরও বেশি দেশে এই কোম্পানি ওষুধ রপ্তানি করে। তবে যে সকল দেশগুলোতে বেশি রপ্তানি করে সেগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কেনিয়া, শ্রীলংকা, মিয়ানমার উল্লেখযোগ্য। এ কোম্পানির বিশ্বমানের ওষুধ উৎপাদন করে থাকে। স্কয়ার কোম্পানি ইউরোপীয় GMP,WHO ও USFDA নির্দেশনা অনুযায়ী ঔষধ তৈরি করে থাকে।

এছাড়া এই কোম্পানির গবেষণা এবং উন্নয়নের জন্য ইনহাউস R&D ল্যাব রয়েছে যেখানে প্রতিনিয়ত নতুন জেনারিক ঔষধ ও ডোজ ফর্ম তৈরি হয়। এছাড়া হিউজ পরিমাণ কর্মী এই কোম্পানিতে কাজ করে। বলা যায় প্রায় ১০+ দক্ষ কর্মী এই এই কোম্পানিতে কাজ করে। এছাড়া বাংলাদেশের প্রায় বেশিরভাগ চিকিৎসক স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির ঔষধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 

আমরা প্রায় ই বেশিরভাগ মানুষই জানি স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল এর সবচাইতে জনপ্রিয় ওষুধ হচ্ছে Napa(প্যারাসিটামল) এছাড়া রয়েছে-

  • Civit (ভিটামিন সি) 
  • Seclo (ইসমে প্রাজল)
  • Amodis (মেট্রোনিডাজল) 
  • Renorma (ওমেপ্রাজল) 
  • Flucozid (ফ্লুকোনাজল)
  • Afun (এজিথ্রোমাইসিন)
  • Monus (মন্টিলুকাস)
  • Xorel
  • Meduca (ডমপেরিডন) ইত্যাদি।

স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল এর এই ওষুধগুলো খুবই পরিচিত এবং সহজলভ্য। বেশিরভাগ মানুষ তাদের যেকোন সমস্যাতে এই ওষুধগুলো খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারে এবং নামগুলো খুবই পরিচিত। এছাড়া স্বল্পমূল্যে পাওয়া যায়, চিকিৎসকরা এই ওষুধ গুলো প্রায়ই প্রেসক্রাইব করে থাকে এবং তুলনামূলক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম। 

২০২৫ সালে স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল তাদের মেধা দ্বারা কাজ করে নতুন ইনজেকশন ও ইনহেলার প্লান্ট উদ্বোধন করেছেন এছাড়া ১৫+এর বেশি ওষুধ বাজারে নিয়ে এসেছেন এবং তিনটি আরো নতুন দেশে ঔষধ রপ্তানির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ২০২৫ সালে ডলার সংকট এবং আমদানির অনেক জটিলতা থাকলেও তারা তাদের মেধা এবং দক্ষতা দিয়ে কাজ করে দক্ষ ভাবে পরিচালনার করার মাধ্যমে স্কয়ার কোম্পানির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছেন।

চিকিৎসকদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কোম্পানির ঔষধ

চিকিৎসকদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কোম্পানির ঔষধ বলতে আসলেই বোঝানো হয়েছে চিকিৎসকরা যে সকল কোম্পানি কিংবা ব্র্যান্ডের ঔষধ রোগীদের প্রেসক্রাইব করে সেটা কে বোঝানো হয়েছে। কারণ যে সকল কোম্পানির ওষুধ চিকিৎসকরা সবচাইতে বেশি প্রেসক্রাইব করবে তাহলে বুঝতে হবে সে কোম্পানির মান অবশ্যই ভালো এবং কার্যকারিতা অনেক।

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড কোম্পানির ঔষধ গুলো বেশিরভাগ রোগীদের প্রেসক্রাইব করে। কারণ এই কোম্পানির ওষুধ কিছুটা সাশ্রয় মূল্যে পাওয়া যায়, যার কারণে সকল রোগীর ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক সমস্যা কিছুটা লাঘব হয়। এছাড়া আরো অন্যান্য ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ডাক্তার রোগীদের সাজেস্ট করে থাকে। 

আরো পড়ুনঃ বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

যেমন বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড, ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড,এ সি আই ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড ইত্যাদি কারণ উপরে উল্লেখিত সকল কোম্পানিগুলোর ওষুধের কার্যকারিতা ও মান উন্নত এবং সহজ মূল্যে পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক অন্যান্য কোম্পানির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম, সকল কোম্পানির GMP ও WHO সার্টিফিকেশন রয়েছে। সিরাপ থেকে শুরু করে ট্যাবলেট, ইনজেকশন সব ধরনের ওষুধ এ কোম্পানিগুলো উৎপাদন করে থাকে।

২০২৫ সালের সরকার অনুমোদিত ঔষধ উৎপাদনকারী সেরা প্রতিষ্ঠান কোনটি 

২০২৫ সালের সরকার অনুমোদিত ওষুধ উৎপাদনকারীর সবচাইতে সেরা প্রতিষ্ঠান বেশ কয়েকটি রয়েছে। সকল ঔষধ কোম্পানিগুলো খুবই মানসম্মত এবং উন্নয়নশীল। নিরাপত্তা, উৎপাদন প্রক্রিয়া, বহু রপ্তানির ক্ষমতার দিক থেকে ওষুধ কোম্পানিগুলো শীর্ষস্থান দখল করেছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে চলে। চলুন অনুমোদিত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলো কি কি এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ সালে নিজে তুলে ধরা যাক।

বাংলাদেশের-সবচেয়ে-ভালো-ওষুধ-কোম্পানি

 

  • স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড 
  • ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ 
  • বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড 
  • রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড 
  • স্কাইফ ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড 

উপরে উল্লেখিত সরকার অনুমোদিত সকল কোম্পানিগুলো সরকারি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বন্ধন ও মান বাছাই করা, বিশ্ব স্বীকৃত উপাদান প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চলে এ সকল কোম্পানি প্রত্যেকটি কোম্পানি নিজস্ব আলাদা আলাদা গবেষণা এবং উদ্ভাবন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমেরিকা ইউরোপ সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এ সকল কোম্পানির ওষুধ সরবরাহ করে থাকে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠান।

চাকরির সুযোগ ও ক্যারিয়ার গড়ার জন্য কোন ওষুধ কোম্পানি ভালো

বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানিগুলো শুধু ব্যবসার ক্ষেত্রেই সফলতা অর্জন করেছে তা কিন্তু নয়, বর্তমানে অনেক বেকার যুবক এই ওষুধ কোম্পানিগুলোতে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে নিয়েছে। আমরা সকলেই জানি বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে সরকারি চাকরির অবস্থা খুবই খারাপ। একটা ছেলে গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করার পর চাকরির জন্য অনেক ছোটাছুটি করে যখন কোন আর উপায় থাকে না, তখন জীবিকার জন্য ঔষধ কোম্পানিগুলোকে বেছে নেয়।

আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে আয় করার উপায় ২০২৫

সে দিক থেকে অবশ্যই বলা যায় ঔষধ কোম্পানিগুলো খুব বড় ধরনের যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পদ রয়েছে যেগুলোতে চাকরি পাওয়া সম্ভব। যেমন মেডিকেল প্রমোশন অফিসার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল/অ্যাসুরেন্স অফিসার, প্রোডাকশন অফিসার, সেলফ এক্সিকিউটিভ, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি। যদি নিয়মিত চাকরির বিজ্ঞপ্তি গুলো ফলো করা হয় তাহলে অবশ্যই যেকোনো পদে স্থায়ী একটি চাকরির ব্যবস্থা করা যায়। 

প্রায় সকল কোম্পানিগুলোই জবের জন্য ভালো তবে যে সকল কোম্পানিগুলোতে জব করলে খুব সহজেই সফলতা অর্জন করা যায় সেগুলো হল। 

  • স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড 
  • বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিঃ 
  • বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ 
  • ল্যাবএইড ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড 
  • ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড 
  • রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড 
  • জেনারেল ফার্মাসিটিক্যালস লিঃ ইত্যাদি
  • স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড

২০২৫ এর টপ ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির তালিকা 

২০২৫ এর অনেকগুলো টপ ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি রয়েছে। এ সকল কোম্পানিগুলোকে টপ ফার্মাসিটিক্যাল বলার কারণ রয়েছে কারণ তাদের বিভিন্ন ধরনের সফলতা এবং সুনাম রয়েছে। বিশেষ করে তাদের কোম্পানির গুণগত মান রপ্তানি কার্যক্রম উন্নতমানের গবেষণা উন্নতমানের ওষুধ উৎপাদন আন্তর্জাতিক আমদানি এবং রপ্তানি ইত্যাদি বিভিন্ন কাজের জন্য তারা শীর্ষে রয়েছে। চলুন কিছু টপ ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানির তালিকা নিচে উল্লেখ করা যাক।

  • স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড 
  • ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড 
  • বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড 
  • রেনাটা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড
  • এসিআই ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড 
  • স্কাইপ ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড 
  • হেলথ কেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড
  • এরিস্টোফার্মা লিমিটেড
  • অপসোনিন ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড 
  • একমি ল্যাবরেটরীজ লিমিটেড

উপরে উল্লেখিত সকল ঔষধ কোম্পানি গুলো বাংলাদেশের শীর্ষ এবং টপ ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। সকল কোম্পানিগুলোর তাদের ভিন্ন ভিন্ন আধুনিক বৈশিষ্ট্যের কারণে টপ পজিশনে রয়েছে। যেমন স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি বাংলাদেশের বাইরে প্রায় ৪০+দেশে ওষুধ রপ্তানি করে এছাড়াও রয়েছে ইনহেলার ইনজেকশন এবং ক্যান্সারের ঔষধ তৈরিতে অবদান রেখেছে। ২০২৫ সালে স্কয়ার কোম্পানি আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকা এই নতুন রপ্তানি আরম্ভ করেছে। 

অন্যথায় ইনসেপ্টা কোম্পানি কোন অংশে স্কয়ারের চাইতে কম নয় । ইনসেপ্টা কোম্পানি বাংলাদেশের অন্যতম একটি নামকরা ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড। ইনসেপ্টা কোম্পানি দেশের বাইরে প্রায় ৫০+দেশের ওষুধ রপ্তানি করে থাকে। এই কোম্পানি বিশেষভাবে ভ্যাকসিন এবং ইনসুলেশনের জন্য বেশি জনপ্রিয়। এই কোম্পানি বাংলাদেশের প্রথম একমাত্র ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী এবং বায়োলজিক্যাল ফার্মাসিটিক্যালস।

এই কোম্পানির বিশাল পরিসরে ওষুধ উৎপাদন করার ফ্যাসিলিটি রয়েছে। ইনহেলার, ভ্যাকসিন, ইনসুলিন এবং নতুন জেনারেশন এন্টিবায়োটিক তৈরিতে এ কোম্পানি বিশেষভাবে অবদান রেখেছে। কোন তাই বেক্সিমকো কোম্পানিও তাদের কোম্পানির ওষুধ দেশের বাইরে প্রায় ৩০+দেশের রপ্তানি করছে। কোভিড-১৯ এর টিকা থেকে শুরু করে ইউএস এ এবং ইউরোপে তাদের ওষুধ রপ্তানি করার অনুমোদন পেয়েছে।

বাংলাদেশের সেরা আয়ুর্বেদিক কোম্পানি কোনটি 

বাংলাদেশের এখন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দিন দিন বেড়ে চলেছে। কারণ যে সকল অসুখ সাধারণ ভাবে বড় বড় বিশেষজ্ঞদের দ্বারা সরানো সম্ভব হচ্ছে না সেগুলো অনেক ক্ষেত্রেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দ্বারা নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। যার কারণে মানুষ এখন প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী ঔষধ গুলোর জনপ্রিয়তা ক্রমে বৃদ্ধি বাড়ছে এবং মানুষ চিকিৎসা চিকিৎসা গ্রহণ করছে।

বাংলাদেশী প্রাইস বেশ কয়েকটি আয়ুর্বেদিক কোম্পানি রয়েছে যেগুলো বহুল আলোচিত। কারণ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হীন হয়, যার কারণে মানুষ এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে খুবই প্রাধান্য দিচ্ছে। এছাড়া ২০২৫ সালের বাংলাদেশের সেরা কিছু আয়ুর্বেদিক কোম্পানি খ্যাতি অর্জন করেছে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

  • সাধনা ঔষধালয় 
  • হামদার্দ ল্যাবরেটরীজ বাংলাদেশ 
  • আড়ং আর্থ
  • আয়ুর্বেদিক মেডিসিন ম্যানুফ্যাকচার: প্রাণ ফার্মাসিটিক্যালস 
  • আরণ্যক আয়ুর্বেদিক 
  • কোয়েল হারবাল 
  • আয়ুস ন্যাচারাল 
  • দেওয়ান ইউনানী ল্যাবরেটরী 
  • আল-হেরা ইউনানী 
  • হারবাল মেডিকেল লিমিটেড 
  • বটিকা হারবাল

উপরে উল্লেখিত সকল আয়ুর্বেদিক কোম্পানিগুলো খুবই জনপ্রিয় এবং মানসম্মত। বর্তমানে মানুষ ভেষজ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য খুবই আগ্রহী। অনেক অসুখ আছে যেগুলো প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান দ্বারা তৈরি এবং খুব সহজে মানুষের অন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। বর্তমানে হামদার্দ একটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান যেখানে বাংলাদেশ থেকে শুরু করে দেশের বাইরে এর অনেক নাম রয়েছে। উপরের সকল আয়ুর্বেদিক কোম্পানিগুলো জনপ্রিয় এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও নিবন্ধিত।

বাংলাদেশে ওষুধ কোম্পানির সংখ্যা কত

বাংলাদেশে প্রায় অনেকগুলোই ওষুধ কোম্পানি রয়েছে। তবে ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ৩০০ টিরও বেশি ঔষধ ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি রয়েছে এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে সেরা ওষুধ কোম্পানি ২০২৫ সালের খ্যাতিসম্পন্ন। তবে এই ওষুধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে সক্রিয়ভাবে ২০০+উৎপাদনে নিয়োজিত রয়েছে। তবে অনেকের হয়তো জানা নাই ওষুধ কোম্পানিগুলোর বিভাজন রয়েছে। বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানির ধরন অনুযায়ী বিভাজন হয়। যেমন:

বাংলাদেশের-সবচেয়ে-ভালো-ওষুধ-কোম্পানি

  • এলোপ্যাথিক ঔষধ কোম্পানি ২০০+ রয়েছে
  • আয়ুর্বেদিক কোম্পানি ৫০+রয়েছে
  • ইউনানী কোম্পানি ৩০+ রয়েছে
  • হোমিওপ্যাথিক কোম্পানি ২০ + রয়েছে
  • রপ্তানি মুখে কোম্পানি ৫০+ রয়েছে
  • প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ১০০+ রয়েছে

স্কয়ার কোম্পানির জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রিত কিছু ঔষধ 

স্কয়ার কোম্পানি বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানির মধ্যে সবচাইতে বড় এবং নামকরা ওষুধ কোম্পানি। বর্তমানে এই কোম্পানিতে হাজার হাজার মানুষ কাজ করে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্কয়ার কোম্পানি সর্বোচ্চ স্থান দখল করে রয়েছে এবং এ কোম্পানি থেকে সবচাইতে বেশি ওষুধ বিক্রয় করা হয় এছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার জন্য এ কোম্পানি তাদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রপ্তানি করে থাকে দেশের বাইরে। চলুন সবচাইতে বিকৃত ঔষধ গুলোর নাম কি কি জেনে নেয়া যাক। 

  • Seclo - গ্যাস্ট্রিক ও এসিডিটির জন্য 
  • Napa - যার ও ব্যথা 
  • Tufnil - শ্বাসকষ্ট, হাঁপানের জন্য
  • Rupen- এলার্জি ও চুলকানির জন্য 
  • Ciprocin - এন্টিবায়োটিক 
  • Neoceptin-R - হজমের সমস্যা সমাধানের জন্য 
  • Amodis/Amodisplus - জ্বর ও ব্যথা ও সর্দির জন্য 
  • Maxpro - গ্যাস্টিক ও বুক জ্বালা করার জন্য

বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানি সম্পর্কে FAQ সাধারণ প্রশ্ন উত্তর 

প্রশ্ন: বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানির সংখ্যা কত? 

উত্তর: প্রায় ৩৫০+টি কোম্পানির ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে অনুমোদিত। 

প্রশ্ন: ইফতার ফার্মার প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর: Samson H. Chowdhury 

প্রশ্ন: কোন ওষুধ কোম্পানি সবচেয়ে বেশি নারী কর্মী নিয়োগ দেয়?

উত্তর: রেনেটা কোম্পানি লিমিটেড

প্রশ্ন: সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন কোম্পানি? 

উত্তর: স্কয়ার ফার্মা ও বিকন ফার্মা।

প্রশ্ন: বিকন ফার্মাসিটিক্যালস কিসে বিশেষ? 

উত্তর: ক্যান্সার ও জটিল রোগের ঔষধ তৈরিতে বিশ্বমানের উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বিকন কোম্পানি। 

প্রশ্ন: ইনসেপ্টা ফার্মা কেন জনপ্রিয়? 

উত্তর: ভ্যাকসিন ইনহেলার ও উন্নত ড্রাগ ডেলিভারি সিস্টেমে দক্ষ। 

প্রশ্ন: রপ্তানির জন্য কোন দেশগুলোতে ওষুধ পাঠানো হয়? 

উত্তর: যুক্তরাজ্য ইউরোপ আফ্রিকা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ল্যাটিন আমেরিকা।

প্রশ্ন: কোন কোম্পানিগুলোর নিজস্ব রিসার্চ ল্যাব রয়েছে?

উত্তর: স্কয়ার, বিকন, ইনসেপ্টা, হেলথ কেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড।  

শেষ মন্তব্যঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ 

উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে অবশ্যই আমরা বলতে পারি বাংলাদেশের নিঃসন্দেহে সেরা ওষুধ কোম্পানি হচ্ছে স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস। তাদের উৎপাদন ক্ষমতা, উন্নয়ন, গবেষণা মান, নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রাইব সকল কিছুর দিক দিয়ে স্কয়ার কোম্পানি তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। স্কয়ার কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানে অনেক কর্মী প্রতিবছর নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

বাংলাদেশের যে সকল জনপ্রিয় ওষুধ কোম্পানিগুলো রয়েছে সেগুলো যে শুধু বাংলাদেশের মানুষের চাহিদা মিটায় তা নয় আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের ব্র্যান্ডের নাম ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কোম্পানি কোনটি ২০২৫ সালে এর উত্তরে বলা যায় স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল সহ আরো রয়েছে বিকন ইনসেপ্টা, রেনেটা, অপসোনিন, বেক্সিমকো, হেলথ কেয়ার ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এট্রাকশন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url