ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড
আগে আমাদেরকে জানতে হবে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড কি, এর কাজ কি এবং
ব্যবহারের নিয়ম ও সতর্কতার সম্পর্ক। আর এই সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেয়ে
যাবেন আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।পেজ সূচিপএঃ ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টর কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য
- ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড
- ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড কি?
- ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড কি?
- কিভাবে ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ডে সংগ্রহ করবেন
- বাংলাদেশের কোন কোন ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে
- ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড ব্যবহারের সুবিধা
- ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর
- লেখক এর শেষ কথা: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড সম্পর্কে আলোচনা
ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রী ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড
ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড, বর্তমান সময়ে ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড বহু ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় একটি কাজ। বর্তমান সময়ে এখন সবকিছুই অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়। বর্তমান সময় প্রতিটি কাজই অনলাইন ভিত্তি। এখন অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়, অনলাইন এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায়, বিদেশি হোটেল বুকিং করা যায়, বিদেশি টিউশন ফি দেওয়া যায়, আর এই সকল কাজ ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে নিরাপদে এবং সহজে করা যায়।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ফেরত দেওয়ার নিয়ম
আমরা যারা বিভিন্ন বিদেশি অনলাইন প্লাটফর্মে কাজ করি তারা মাস্টার কার্ড চিনেন। কারণ বিদেশের সকল পেমেন্ট করা হয় মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে। বিদেশ থেকে পেমেন্ট নেওয়া ও দেওয়া সহজ মাধ্যম হলো ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড। ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে এবং ভেজালমুক্তভাবে ব্যবসায়িক কাজের লেনদেন করতে পারবেন।
ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড ব্যবহারের টাকা হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়ার কোন চিন্তা নেই। ফ্রিতে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম জানতে হবে কোন ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড প্রদান করে। যে ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড প্রদান করে সেই ব্যাংকে আগে আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।
এই অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনি ব্যাংকে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে আপনার বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। বৈধ পাসপোর্ট না থাকলে ব্যাংক আপনাকে ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড প্রদান করবে না। বাংলাদেশে বর্তমানে যে সকল প্রতিষ্ঠান মাস্টার কার্ড প্রদান করে তারা হলো আমেরিকান এক্সপ্রেস, ভিসা ও ডিসকভার প্রতিষ্ঠান।
এরা শুধু বাংলাদেশী নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করে থাকেন। সেক্ষেত্রে আপনি যদি এই সকল প্রতিষ্ঠান থেকে মাস্টার কার্ড গ্রহণ করেন, তাহলে আপনি বিশ্বের যে কোন দেশের লেনদেন করতে পারবেন। বাংলাদেশের তিন ধরনের ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়া যায় যেমন: ইন্টারন্যাশনাল প্রিপেইড মাস্টার কার্ড, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট মাস্টার কার্ড এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট মাস্টার কার্ড।ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড কি?
প্রায় সবারই মনে প্রশ্ন মাস্টার কার্ড আসলে কি। মাস্টার কার্ড এমন একটি কার্ড যে কার্ডের মাধ্যমে আপনি দেশে-বিদেশে উভয় স্থানে খুব সহজে লেনদেন করতে পারবেন। যারা অনলাইনে কাজ করে তারা হলেই জানে মাস্টার কার্ড কি কিন্তু যারা সাধারন মানুষ মাস্টার কার্ড সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। তাই তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি মাস্টার কার্ড সম্পর্কে সকল তথ্য। বর্তমানে বাংলাদেশের এখন প্রায় সব ব্যাংকেই মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ বিদেশ থেকে ডাচবাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম
তবে মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করার পূর্বে ওই ব্যাংকে আপনার একটি চলতি হিসাবের একাউন্ট থাকতে হবে। এবং অবশ্যই একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। বৈধ পাসপোর্ট ছাড়া মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করা সম্ভব না। মাস্টার কার্ড সাধারণ তো INC কোম্পানির মাধ্যমে সারা বিশ্বের ব্যাংকে প্রদান করা হয়। যারা প্রথমে মাস্টার কার্ড দেখেননি তাদের জন্য মাস্টার কার্ড চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হল প্রতিটি মাস্টার কার্ডে INC কোম্পানির লোগো থাকে।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ব্যাংক ছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠান মাস্টার কার্ড সরবরাহ করে থাকে। যে সকল প্রতিষ্ঠান মাস্টার কার্ড প্রদান করে। যে সকল প্রতিষ্ঠান মাস্টার কার্ড সরবরাহ করে তারা হলো:
- আমেরিকান এক্সপ্রেস
- ভিসা ও ডিসকভার
- ব্যাংক রাশিয়া
- এবি ব্যাংক
- মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
- ব্যাংক এশিয়া
বর্তমানে বাংলাদেশের তিন ধরনের ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়।
- ইন্টারন্যাশনাল প্রিপেইড মাস্টার কার্ড
- ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট মাস্টার কার্ড
- ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট মাস্টার কার্ড
ইন্টারন্যাশনাল প্রিপেইড মাস্টার কার্ডঃ প্রিপেড মাস্টার কার্ডে সব সময় টাকার জমা রাখতে হয়। মোবাইল ফোনে যেভাবে রিচার্জ করে থাকি ঠিক সেভাবে প্রিপেইড মাস্টার কার্ড টাকা জমা রাখতে হয়। এই কার্ড ব্যবহার করার জন্য আপনার যে ব্যাংক প্রিপেইড কার্ড প্রদান করে সে ব্যাংকে একটি চলতি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এমন কোন শর্ত নেই।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট মাস্টার কার্ডঃ ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে ফোন নেওয়া যায়। এই টাকার জন্য ব্যাংকে আপনাকে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ মনে করেন আপনি কেনাকাটা করেছে অথচ আপনার কার্ডে কোন টাকা নেই সে ক্ষেত্রে আপনি ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবেন।
ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট মাস্টার কার্ডঃ প্রিপেইড কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ডের চেয়ে একটু ভিন্ন। অন্যান্য কার্ডের মতন আপনি ডেবিট মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে কোন ধরনের লোন নিতে পারবেন না। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমানে কিছু টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড কি?
এতক্ষন আমরা জেনেছি ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সম্পর্কে। এখন আমরা আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করবো ফ্রি ভার্চুয়াল কার্ড কি। ফ্রি ভার্চুয়াল কার্ড হলো এমন একটি অনলাইন যার কোন ফিজিক্যাল রূপ বা অস্তিত্ব নেই। ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড কিছুটা ডেবিট কার্ডের মতন হলেও শুধু আপনি অনলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড প্লাস্টিক কার্ড নয় এই কার্ডে শুধুমাত্র নাম্বার মেয়াদ এবং সিভি ভি দেওয়া থাকে। ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহারে আপনার হ্যাকিং ও চুরি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকি।
আরো পড়ুনঃ বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুত মাধ্যম
বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং করে তাদের জন্য এই কার্ড প্রয়োজনী। তারা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কার্ডে ট্রান্সফার করে রাখেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লেনদেন করেন। অন্যান্য কার্ডের ক্ষেত্রে ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ডের খরচ কম। বাংলাদেশের প্রায় অনেক ব্যাংক এখন ভার্চুয়াল কার্ড প্রদান করছে। তাছাড়া বর্তমান সময়ে ফ্রিতে অথবা কম খরচে ভার্চুয়াল কার্ড তৈরি করা যায়। এখন বেশ কিছু অনলাইন প্লাটফর্ম বিনামূল্যে ভার্চুয়াল কার্ড প্রদান করছে, আপনার কোন ক্রেডিট চেক বা ব্যাংক একাউন্ট ছাড়াই ফ্রি ভার্চুয়াল কার্ড সরবরাহ করছে।
কিভাবে ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করবেন
বর্তমান সময়ে অনলাইনে এমন কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যেখানে লেনদেন করার জন্য ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ডের প্রয়োজন হয়। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার বা ফেসবুক অথবা ইউটিউব কনটেন্ট কেউটার হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড কিভাবে পাবেন না জানা থাকলে সেক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন এবং মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করা খুবই কষ্টকর হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে অনলাইনে কাজ করার আগে অবশ্যই আপনাকে কিভাবে সহজে মাস্টার কার্ড পাওয়া যায় সে সম্পর্কে জানতে হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সব ব্যাংক ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের তিন ধরনের ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়। যেমন: প্রিপেইড মাস্টার কার্ড, ক্রেডিট মাস্টার কার্ড এবং ডেবিট মাস্টার কার্ড। ক্রেডিট মাস্টার কার্ড এবং ডেবিট মাস্টার কার্ড বানানোর জন্য যে সকল ব্যাংক এই কার্ড প্রদান করে সে ব্যাংকে একটি চলতি হিসাব কাউন্ট থাকতে হবে। প্রিপেইড মাস্টার কার্ডের জন্য কোন ধরনের ব্যাংক একাউন্ট এর প্রয়োজন হয় না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করার জন্য কি কি তথ্য প্রয়োজন।
- আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি।
- আপনার আয়ের সার্টিফিকেটের ফটোকপি
- আপনি যদি আপনার কার্ডটি দেশী এবং বিদেশী মুদ্রায় লেনদেন করতে চান তাহলে বৈধ পাসপোর্ট এর ফটোকপি লাগবে।
- প্রিপেইড মাস্টার কার্ড এর ক্ষেত্রে ব্যাংকের ডকুমেন্ট লাগবে না।
- ডেবিট ও ক্রেডিক মাস্টার কার্ডের জন্য ব্যাংকের সকল কাগজ পত্র লাগবে।
- আপনার পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি।
- আপনার বাসার ইলেকট্রিসিটি বিলের কপি।
- আপনার নিজস্ব ফোন নাম্বার।
- আপনার নিজস্ব জিমেইল এড্রেস।
- আপনার ব্যাংক একাউন্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে।
- আপনার ব্যাংক একাউন্টের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে।
- উপরের সকল তথ্য সঠিকভাবে থাকলে মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- ফরমে দেওয়া সকল তথ্য নির্ভুলভাবে জমা দিলে আপনি খুব দ্রুত মাস্টার কার্ড পেয়ে যাবেন।
বাংলাদেশে কোন কোন ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে
বাংলাদেশের অনেক নাগরিকী জানতে চাই বাংলাদেশের কোন ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে। বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইনে ব্যবসা করে তাদের জন্য মাস্টার কার্ড সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে মাস্টার কার্ড একটি প্রয়োজনীয় জিনিস যেটি সম্পর্কে জানা আমাদের সকলেরই উচিত। বর্তমানে বাংলাদেশে এখন এবি ব্যাংক ছাড়া অনেক ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান সেবা চালু করেছে।
বাংলাদেশে এখন অনেকেই বিদেশী বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করে তাদের জন্য লেনদেন সহজ মাধ্যম হলো মাস্টার কার্ড। আমরা এর আগে জেনেছি বাংলাদেশে তিন ধরনের মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়। প্রিপেইড মাস্টার কার্ড ডেবিট মাস্টার কার্ড এবং ক্রেডিট মাস্টার কার্ড। এখন আমরা জানবো বাংলাদেশের কোন কোন ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে।
- এবি ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে
- মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে
- ইসলামী ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি মাস্টার কার্ড প্রদান করে
- ব্যাংক এশিয়া মাস্টার কার্ড প্রদান করে
- ইউসিবি ব্যাংক মাস্টার কার্ড প্রদান করে
ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড ব্যবহারের সুবিধা
বর্তমান সময়ে মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে খুব সহজে অনলাইনে লেনদেন করা যায়। শুধু দেশীয় লেনদেন নয় বিদেশি লেনদেনও করা সম্ভব মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে। মাস্টার কার্ড ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে যা নিচে উল্লেখ করা হলো:
- মাস্টার কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি খুব সহজে অনলাইন পেমেন্ট করতে পারবেন।
- মাস্টার কার্ডে ব্যবহারে অতিরিক্ত টাকা বহনের ঝামেলা নেই।
- আপনার ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালেন্স না থাকলে মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে খুব সহজেই লোন নিতে পারবেন।
- বিশ্বের যে কোন দেশে কেনাকাটা করে কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
- মাস্টার কার্ডের তথ্য হ্যাক হওয়া অথবা চুরি করার সম্ভাবনা নেই।
- আপনি দেশে বিদেশে উভয় স্থানে মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
- মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে আপনি আপনার টাকাকে ডলারে কনভার্ট করতে পারবেন।
ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড কি?
উত্তর: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড এমন একটি ব্যাংক কার্ড যার মাধ্যমে আপনি দেশে এবং বিদেশে উভয় স্থানে অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজে লেনদেন করতে পারবেন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন কোন ব্যাংক ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সরবরাহ করে?
উত্তর: বাংলাদেশ কিছু সংখ্যক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সরবরাহ করে যেমন:
- আমেরিকান এক্সপ্রেস
- ভিসা ও ডিসকভার
- ব্যাংক রাশিয়া
- এবি ব্যাংক
- মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
- ব্যাংক এশিয়া
- ইসলামী ব্যাংক অনলাইনে সেলফিন অ্যাপ এর মাধ্যমে ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সরবরাহ করে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে কিছু কিছু ব্যাংক ফি এবং চার্জ নিয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা কি বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে টাকা লেনদেন করতে পারে?
উত্তর: হ্যাঁ, ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসায়িকরা ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সঙ্গে অনলাইনে লেনদেন করতে পারে। এবং এটি একটি সহজ এবং নিরাপদ মাধ্যম।
প্রশ্ন: ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন?
উত্তর: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করার জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার সেগুলো হলোঃ
- আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি।
- আপনার আয়ের সার্টিফিকেটের ফটোকপি
- আপনি যদি আপনার কার্ডটি দেশী এবং বিদেশী মুদ্রায় লেনদেন করতে চান তাহলে বৈধ পাসপোর্ট এর ফটোকপি লাগবে।
- প্রিপেইড মাস্টার কার্ড এর ক্ষেত্রে ব্যাংকের ডকুমেন্ট লাগবে না।
- ডেবিট ও ক্রেডিক মাস্টার কার্ডের জন্য ব্যাংকের সকল কাগজ পত্র লাগবে।
- আপনার পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি।
- আপনার বাসার ইলেকট্রিসিটি বিলের কপি।
- আপনার নিজস্ব ফোন নাম্বার।
- আপনার নিজস্ব জিমেইল এড্রেস।
- আপনার ব্যাংক একাউন্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে।
- আপনার ব্যাংক একাউন্টের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে।
প্রশ্ন: ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা রিসিভ করা যায় কি?
উত্তর: ব্যাংক থেকে মাস্টার কার্ড সংগ্রহ করার পর আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন এনাবেল করে রাখেন তাহলে আপনি বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে টাকা নিতে পারবেন।
প্রশ্ন: ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের সময়সীমা কতদিন?
উত্তর: সাধারণত ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ডের সময় ৩ থেকে ৫ বছর নির্ধারণ করা হয়।
লেখক এর শেষ কথা: ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড সম্পর্কে আলোচনা
ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম-ফ্রি ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড সম্পর্কে সকল তথ্য আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড এমন একটি কাজ যার মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যে কোন দেশে সহজে লেনদেন করতে পারবেন। ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ব্যাংক ছাড়াও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে।
বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সার এবং বিদেশী বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করেন তাদের জন্য মাস্টার কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজনে। মাস্টার কার্ড বানানোর আগে আপনাদেরকে জানতে হবে ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড কি, এর কাজ কি, কিভাবে ব্যবহার করে এই সকল তথ্য জানলে আপনি মাস্টার কার্ডটি নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন। আর এই সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন আজকের আর্টিকেলে।
আর আপনি যদি মাস্টার কার্ড তৈরি করতে চান আপনার বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে। যেমন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, আপনার আয়ের সার্টিফিকেটের ফটোকপি, আপনি যদি আপনার কার্ডটি দেশী এবং বিদেশী মুদ্রায় লেনদেন করতে চান তাহলে বৈধ পাসপোর্ট এর ফটোকপি লাগবে, প্রিপেইড মাস্টার কার্ড এর ক্ষেত্রে ব্যাংকের ডকুমেন্ট লাগবে না।
ডেবিট ও ক্রেডিক মাস্টার কার্ডের জন্য ব্যাংকের সকল কাগজ পত্র লাগবে, আপনার পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, আপনার বাসার ইলেকট্রিসিটি বিলের কপি, আপনার নিজস্ব ফোন নাম্বার, আপনার নিজস্ব জিমেইল এড্রেস, আপনার ব্যাংক একাউন্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে, আপনার ব্যাংক একাউন্টের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে।
আশা করি আপনারা যদি আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন অবশ্যই ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড সম্পর্কিত সকল তথ্য পেয়ে যাবেন। আপনারা যদি এরকম আরো তথ্য নির্ভর আর্টিকেল পেতে চান, তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি নিহিত ভিজিট করুন এবং ফলো করুন। আমাদের সঙ্গে থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

এট্রাকশন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url